এক ইশ্বর হাজার প্রশ্ন?২-কুসংস্কার
কুসংস্কার-ইংরেজিতে বলে(Superstion)অযৌক্তিক ব্যখ্যাবিহীন বধঅভ্যাস ও অন্ধ বিশ্বাসই হলো কুসংস্কার। কুসংস্কার দুরকমের-যেমন প্রচলিত প্রথা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের কুসংস্কার।কুসংস্কারকে আবার সংস্কারও বলা যায়।একপক্ষের কাছে মনে হয় এটা সঠিক ও এই রকম।অন্য পক্ষের কাছে মনে হয় এটা ঠিক অন্য রকম হবে।মুলতঃকুসংস্কারের উপর অন্ধ বিশ্বাসে ভর করেই দাঁড়িয়ে আছে আমাদের এই বিশ্বটা।যাদুটোনা ভূতপ্রেত অজানা ভয়ের আসংখ্যা অযৌক্তিক কথাবার্তা এবং কর্মকান্ড সবি হলো কুসংস্কার।যার কোন সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানীক ব্যখ্যা ওপ্রমাণাধি নাই।
তন্মধ্যে ধর্মীয় কুসংস্কার হলো অত্যান্ত ভয়ঙ্কর ও নির্মম।সাধারণ মুল ধর্মের রিতীনীতি বহির্ভূত এক্সটা উপাসনা এবাদদ বন্দেগী তাবিজ তুমার ঝাড়ফুঁক পুজা মন্ত্র পাঠ গির্জা মন্দিরে ধুপ জালানো এসবি কুসংস্কারের আওতায় পড়ে।
এখানে সত্য কোনটা আর মিথ্যা কোনটা এই জিনিসটি নির্নয় বা সনাক্ত করতেই হয়ে যাচ্ছে মানুষের ভয়ঙ্কর সর্বনাশ।এই কারণেই মানুষের মধ্যে এত কলহ বিরহ বিচ্ছেদ বিবাধ বিশ্বাদ দাঙ্গা হাঙ্গামা যুদ্ধ গৃহ যুদ্ধ, এত খুন এত লাশ এত রক্ত প্রবাহ।মানব জাতির সৃষ্টির শুরু থেকেই শুরু হয়েছিল এই যত সব কুসংস্কার আর অন্ধ বিশ্বাস। সৃষ্টির শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রকৃতিক দু্র্জোগের কারণে যত মানুষ প্রাণ হারায়েছে তার চেয়ে শত শত গুন বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এই কুসংস্কারের কারণে।জাতি সংঘের রিপোর্ট অনুযায়ি এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও আজ বিশ্বের ৫৪টি দেশে যুদ্ধ গৃহ যুদ্ধ চলছে।বলা যায় মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ।প্রতিদিন শত শহস্র মানুষ হতাহত হচ্ছে এই কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাসের কারণে।
কুসংস্কার দুরকমের।একটা হলো মানুষের স্বভাবগত,আরেকটা হলো ধর্মগত।দুটাই মানুষের কল্পিত।এটা কোন ভাবেই ইশ্বর প্রদত্ব হতে প্রমাণিত হয় না।দুটাই ভয়ঙ্কর, তবে ধর্মের কুসংস্কারটা একটু বেশি ভয়ঙ্কর।

Keine Kommentare:
Kommentar veröffentlichen